চরমপন্থা ও আমাদের করণীয়


say-no-to-terrorism-938x535

উস্তাদ নুমান আলী খান

সবাইকে আবারো সালাম জানাচ্ছি, আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রাহ মাতুল্লাহ। নিউজ চ্যানেল এবং পত্রপত্রিকার মাধ্যমে আপনারা ইতিমধ্যেই জানেন কি জঘন্য , ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড (অরল্যান্ডো হামলা) ঘটানো হয়েছে। যার ফলে গোটা দেশ তথা সারা পৃথিবী আজ বাকরুদ্ধ, বিশেষ করে মুসলিম সমাজ আবারো আক্রান্ত।

সবার সন্দেহ-সংশয় দূর করার জন্য বলতে হয়, আমাদের দ্বীন শর্তহীনভাবে সকল মানুষের জীবনের নিশ্চয়তা দেয়। আর এর কোন ব্যতিক্রম নেই। প্রকৃত পক্ষে, আমাদের আলেমদের অনেকেই তাদের সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতে বলেছেন, তারা এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে, যাদের বিরুদ্ধেই এই হত্যাকান্ড ঘটানো হউক না কেন। কারণ প্রত্যেকটা মানুষেরই বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। বেঁচে থাকার অধিকার এমন এক বিষয় যা আমাদের দ্বীন কোন শর্ত ছাড়াই স্বীকার করে। তাদের এই মতামত পোস্ট করার পর মুসলিম নামের অনেককেই এই বলে মন্তব্য করতে দেখা যায় যে, আপনি কিভাবে এটা বলতে পারেন? এই লোকগুলোকে মেরে ফেলাই উচিত, ইত্যাদি ইত্যাদি। আরও ভয়ংকর বিভিন্ন বিষয় বলা হয়েছে। এটা দেখে আমি অনুধাবন করলাম যে,

আমাদেরকে দুটি বিষয়ে চিন্তাশীল হতে হবে। আমাদের দু ধরনের শ্রোতা রয়েছে। অমুসলিম শ্রোতা যারা ফেইসবুক বা অন্য কোথাও থেকে এই জবাবগুলো দেখছে যে এই ব্যাপারে মুসলিমরা কি বলছে। আর অন্য শ্রোতা হল মুসলিমরাই। দুই শ্রেনীই আলাদা। দেখা যায় বেশির ভাগ সময় আমরা যেটা ভাবি যে দেশের সবার কষ্ট বা শোককে কমাতে আমাদের জবাব কি হবে। অমুসলিমদের প্রতি। আমরা এই সমাজেরই অংশ। আর বিশ্বের সমাজব্যবস্থারও অংশ। তো তাদের স্বাভাবিকভাবেই কিছু প্রশ্ন থাকে। সেই প্রশ্নগুলো যেগুলো বিশেষ করে মিডিয়াতে উঠে আসে আর যেকোনোভাবে বুঝানোর চেষ্টা চলতে থাকে যে এই ঘটনাগুলোর জন্য ইসলাম দায়ী! কথোপকথনের কেন্দ্র থাকে এটাই। তাই তারা আমাদের কাছ থেকেও শুনতে চায়। মুসলিম হিসেবে আমাদের কি ধারণা এ ব্যাপারে। আর এমনটা যখন হয় তখন আমরা অনেক সময় পাবলিসিটি নিয়ে বেশি সচেতন হয়ে যাই কিংবা রাজনৈতিক দিক দিয়ে সঠিক কোন কথা বলি।

সবার প্রথমে আমাদের যেটা জানতে হবে সেটা হল, শ্রোতা যেই হোক, মুসলিম কিংবা অমুসলিম, আল্লাহর দ্বীন কখনও বদলায় না। এই দ্বীন আমাদের বিশ্বাসমতে আল্লাহ পাক থেকে নাযীলকৃত। যে এই দ্বীনের বিরুদ্ধে কিছু করলো, সে অন্যায় করলো তা সে মুসলিম হোক কিংবা অমুসলিম…। আর এটা একটা অন্যায়। আর কোনও দিক থেকে দেখার উপায় নেই আসলে। আর এই ব্যাপারটি কোনও রকম বিতর্ক বা আলোচনা সাপেক্ষও না। তারাই এর বিপরীতে বলবে যাদের ইসলামের একদম মৌলিক ধারনাই সঠিক নেই। আর তাদেরকে আমি কোনোভাবেই আল্লাহ পাকের কালামের ছাত্রও ভাবতে পারি না। তা হতেই পারে না। আমরা এই কুরআনের ছাত্র হয়ে ঐরকম এক অবস্থানে পৌঁছাব তা হতেই পারে না। কোন কারণ ছাড়া মানুষকে হত্যা করা তা আপনি যাই মনে করেন না কেন, সে যে পাপই করুক না কেন, তা অবশ্যই অন্যায়। কেউ যদি মনে করে তা অন্যায় নয়, এই রকম অবস্থানে এমন কেউ কখনই আসতে পারে না যে কিনা এই কুরআনকে ভালোভাবে শিখছে।

অনেক কিছুই বলা যায়। আর তা বলাই উচিত। কিন্তু আমি আসলে এই ব্যাপারে সবদিকে কথা বলার জন্য যোগ্যও নই। কারণ অবশ্যই সমস্যাটি জটিল। তবে আমি একটা ব্যাপারে বলছি। এটা এই সমস্যার পুরো চিত্র নই। তবে এই পাজলের অংশবিশেষ। আপনি অনেক কিছুকেই এই ব্যাপারে দোষ দিতে পারেন। মিডিয়া, কন্সপিরেসি তত্ত্ব ইত্যাদি। কিন্তু বাস্তবতা হল সমাজের নতুন জেনারেশনের একটি অংশের মুসলিমেরা তারা দ্বীনের দিকে ফিরে আসছে। তারা সত্যিকার ইসলাম সম্পর্কে জানতে চায়। তারা তাওবা করেছে তাদের আগের জীবন থেকে, তারা আগের থেকে ভালো ও ধার্মিক হতে চায়। আর তারা ইন্টারনেটে যাচ্ছে তাদের ধর্ম সম্পর্কে জানতে। কারণ এই যুগে কিছু খুঁজে পেতে হলে সবাই নেটেই যায়। আর যেই গ্রুপগুলো ইসলামের নামে অন্যায় হত্যাকাণ্ড সমর্থন করে, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন প্রচার প্রক্রিয়া বেশ জটিল। তারা এইদিকে হলিউডকেও টেক্কা দেয়ার সামর্থ্য রাখে। এই নিয়ে গবেষণাও হয়েছে যে তারা কি প্রক্রিয়ায় মার্কেটিং করে, কি প্রক্রিয়ায় এমন তরুণদের টার্গেট করে যারা ইসলাম সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে।

তাই এই তরুণ তরুণীরা প্রথমেই যে ধারণাটা পায় সেটা হল তাদের মত অনুযায়ী ইসলামের ভার্সন। উদাহরণ স্বরূপ, একজন তরুণ মুসলিম যে কিনা অত ধার্মিকই ছিল না, হয়তো রমজান আসলো, আর কিছু একটা তাঁর মনে গিয়ে বিধলো, হতে পারে কোন খুতবা বা অন্য কিছু, আর সে মনে মনে বলে যে আমাকে বদলাতে হবে। আর সে গুগল, ইউটিউবে যায় দেখতে এই ব্যাপারে কিছু পায় কিনা। আর প্রথমেই সে যা পায় তা হল ওদের পাগলাটে ভার্সন। কারণ মেকানিজমটাই এমনভাবে করা আছে যে ঐগুলোই তারা আগে খুঁজে পাবে। আর এইভাবেই তারা চরম পন্থার ঐ মতবাদগুলোতে প্রবেশ করে। ঐখানে বলা হয় যে, যদি সত্যিকারের মুসলিমই হতে হয় তাহলে তোমাকে তো জিহাদ করতে হবে। আর জিহাদ করতে হলে তোমাকে আশেপাশের মানুষদের হত্যা করতে হবে। নাহলে তুমি তো মুনাফিক, আর অন্য যারা এর বিপক্ষে সবাই মুনাফিক, তারা বিক্রি হয়ে গেছে। তারা আসলে মুসলিমই না। তো প্রথমেই তাদেরকে যেটা বুঝানো হয় যে আশেপাশের সবাই আসলে মুনাফিক, তারা কাফির হয়ে গেছে, তো তারা কি বলল না বলল এতে কিছু আসে যায় না। প্রথমে তারা এই তরুণদের তাদের নিজেদের সমাজ, নিজেদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে। এরপর তাদের জন্য সহজ হয়ে যায় যত রকমের ঘৃণা তাদের মনে ঢুকানো।

তো এই সমস্যার ব্যাপারে আমরা কি করবো? এটা কিন্তু ধারণার যুদ্ধ ইসলামের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য। যেই তরুণেরা এইসব ফাঁদে পড়ে যায়, নিজেদের সম্পর্কে নিচু ধারণা, ডিপ্রেশন, মানসিক ভারসাম্যহীনতা যেই কারণেই হোক না কেন, আর যারাই এইসব ফাঁদে পড়ে, আর এইরকম ঘটনা একের পর এক, বারবার ঘটতেই থাকে। তাই আমাদের নিজেদেরকে একটু থামাতে হবে আর ভাবতে হবে এটার দীর্ঘস্থায়ী সমাধান কি করে করা যায়। কারণ যখনই আমরা ক্ষণস্থায়ী সমাধানের কথা ভাববো, আপনি আমি মানতে বাধ্য যে ক্ষণস্থায়ী কোন সমাধান নেই। অর্থাৎ কালকের মাঝেই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে না। আমরা শ্বাস আটকে আছি যেন। এমন কিছু যেন আর না ঘটে এমনটাই আল্লাহ পাকের কাছে কামনা। কিন্তু কয়েক মাস পরপরই কিছু না কিছু ঘটছে। তাই আমাদের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান খুঁজতে হবে।

আর সেই সমাধান হল তরুণদেরকে ইসলামের সত্যিকারের শিক্ষা ও সর্বোপরি ধারণার দিকে নিয়ে যাওয়া। কারণ কিয়ামতের দিনের আগ পর্যন্ত এমন তরুণ মুসলিমরা থাকবে যারা কিনা ইসলামের দিকে ফিরে আসতে চায়। এটাই বাস্তবতা। তারা নানা রকমের জীবন থেকেই আসবে। কেউ কেউ নতুন মুসলিম হবে, কেউ মুসলিম পরিবার থেকেই আসবে যারা আগে অতটা ধার্মিক ছিলো না কিন্তু পরে ধার্মিক হয়েছে, তারা ইসলাম সম্পর্কে এক সময় জানতে চাইবে। আর তারা ইন্টারনেটেই তা খুঁজবে আর মিডিয়া বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যা সবার হাতের কাছেই। আর এই স্পেস এ আমরা যদি না জিতি, তাদের জন্য আমরা যদি এই সত্যিকারের সুযোগ না করে দিতে পারি, শক্তিশালী কিছু যা কিনা তাদের নিজ থেকে চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দিবে। শুধু শেখা নয়, প্রশ্ন করা, সমালোচনা করা যাতে তাদের কেউ ব্রেইনওয়াশ না করতে পারে। কারণ এখন তাই হচ্ছে ধর্মের নামে তাদের ব্রেইন ওয়াশ। এই তরুণদের ধোঁকা দেয়া হচ্ছে।

আমার সুযোগ হয়েছে এমন কিছু ছেলেপেলে দেখার যারা কিনা কোন না কোন দিকে ঝুকে গেছে, মোহের মত। দুই ঘন্টা ধরে তাদের এই অসুস্থ চিন্তা ভাবনা খন্ডন করার পর তারা বুঝতে পারে যে তাদেরকে কিভাবেই না ধোঁকা দেয়া হচ্ছিল! ইসলামের নামে তাদেরকে ধোঁকা দেয়া। যখন হয় তখন তারা বুঝেই উঠতে পারে না। আমাদের এই ব্যাপারে বুদ্ধিমান হতে হবে, প্রথমে জানতে হবে যে এমনটা হচ্ছে। এরপর তাদের জন্য আলাদা একটা উপায় বের করতে হবে ইসলামকে জানার, আর অন্যদের সাথে বিতর্ক করার ফাঁদে যেন পা না দেই। এমন না যে আমরা এই এই গ্রুপ গুলোকে ধরে ধরে নিন্দা জানাবো। কারণ তারা এটাই চায়। তারা তাদের অনুসারীদের বলে রেখেছে দেখ এই ওরা আমাদের বিরুদ্ধে বলবে। তারা মানুষের দৃষ্টি তাদের দিকে থাকুক এটাই চায়। কিন্তু যেটা তারা চায়না সেটা হল সত্যিকারের ইসলামের একটি প্ল্যাটফর্ম। তারা এটা সহ্যই করতে পারেনা। কারণ তা মানুষদের তাদের থেকে সরিয়ে নেয়। এই গ্রুপগুলো মানুষের মনোযোগকে পুজি করেই বেঁচে আছে। তারা তাদের অনুসারীদের বলে রাখে যে দেখ এখনই ওরা এমন বলবে। আর যখন আমরা তাদের বিরুদ্ধে বলি, তারা বলে আগেই বলেছিলাম তোমাদের মুনাফিকেরা এমনই বলবে। এটাই তাদের মানসিকতা। তাই আমাদের এই উম্মাহের এর দায়িত্ব নিতে হবে। সত্যিকারের ইসলামের শিক্ষাকে ফিরিয়ে আনতে হবে। যতদিন না পর্যন্ত ইসলামের সত্যিকারের শিক্ষা থেকে সাধারন মানুষ দূরে, ততদিন এমন তরুণ মুসলিমরা বিপদের সম্মুখীন। আমাদের এই দায়িত্ব নিতেই হবে।

আল্লাহ পাক আমাদের এর মোকাবেলার তৌফিক দান করুন। আর মুসলিম উম্মাহকে তৌফিক দিন যেন আমরা এই দ্বীনের সাথে দৃঢ় থাকতে পারি। যেটা হয় যে কেউ না কেউ এই কাজগুলো করছে ইসলামের দোহাই দিয়ে, যারা কিনা কোনভাবেই ইসলামের বা আমাদের প্রতিনিধি নয়। অন্যরা কিছুই করেনি। আমি, আপনি কিছুই করিনি। আমার পরিবার কিছুই করেনি। কিন্তু বাস্তবতা হল পুরো মুসলিম সমাজকেই কাঠগড়ায় দাড়াতে হয়। আমাদেরি নিজেদেরকে ব্যাখ্যা দিতে হয় এমন একজনের জন্য যে কিনা কোনোভাবেই ইসলামের বা আমাদের প্রতিনিধি নয়। তবু আমাদেরকে দায়িত্ব নিতে হবে অন্তত দ্বীনের শিক্ষার ব্যাপারে।

যেখানে এই দ্বীনকে ব্যবহার করা হচ্ছে মনকে বিষিয়ে তোলার জন্য। তখন এই উম্মাহের উপরেই দায়িত্ব চলে আসে এই দ্বীনকে সঠিকভাবে তুলে ধরার তা যে কোন মুল্যেই হোক না কেন। হয়তো আমাদের ক্ষেত্রে অনেক সাহসের প্রয়োজন। কিন্তু এটা একেবারেই অপরিহার্য। আল্লাহ পাক আমাদের দৃঢ় থাকার তৌফিক যেন দেন। আমাদের দোয়া ও শুভ কামনা রইল তাদের জন্য যারা তাদের প্রিয় মানুষদের হারিয়েছেন, পরিবার হারিয়েছেন, যারা তাদের জীবন হারিয়েছেন, মুসলিম হোক বা অমুসলিম। আল্লাহ পাক আদমের সকল সন্তানকেই সম্মান দিয়েছেন। তিনি সূরা ইসরার ৭০ নাম্বার আয়াতে বলেন وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ নিশ্চয় আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি।

পাপ-পুন্য, ভালো কাজ-খারাপ কাজ, শিরক-তউহিদ একপাশে রেখে আমরা সবাই এ আদমের সন্তান। যখন ইব্রাহীম (আঃ) দোয়া করেছিলেন তিনি আদমের সকল সন্তানের জন্যই দোয়া করেছিলেন। যখন তিনি কাবা শরীফ বানাচ্ছিলেন, তিনি চেয়েছিলেন যে এটা হবে এমন একটা স্থান যার সাথে সকল মানব জাতির একটা আলাদা সম্পর্ক থাকবে। যখন ফেরেশতারা এসেছিল লুত (আঃ) এর জাতিকে ধ্বংস করতে, কে তাদের পক্ষে তর্ক করেছিল? ইব্রাহীম (আঃ)। তিনি বলেননি, ও, ঐ লোকেরা। হ্যাঁ ওদের এটাই প্রাপ্য, যাও তোমরা ওদের ধ্বংস করে আসো। যাও আরও ফেরেশতা নিয়ে আসো। না, তিনি তা বলেননি। বরং কুরআন বলে, يُجَادِلُنَا فِي قَوْمِ لُوطٍ সে তাদের হয়ে কথা বলেছিল।(১১: ৭৪) আর আমরা বলি আমরা হলাম ইব্রাহীম (আঃ) এর ধর্মেরই অনুসারী। তাহলে তাঁর সেই নিয়ম নীতিতেই ফিরে যাই। সকল মানব জাতির জন্যই মমতা। মানুষের প্রতি নির্মমতা নয়।

নুমান আলী খানের আরো লেখা বাংলায় পড়ার জন্য ভিজিট করুন  http://www.nakbangla.com/

Advertisements

About সম্পাদক

সম্পাদক - ইসলামের আলো
This entry was posted in আদর্শ মুসলিম ব্যক্তিত্ব, উপদেশ, সন্ত্রাসবাদ, সমসাময়িক. Bookmark the permalink.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s