“আহলেহাদীছ” নামকরণ নিয়ে বিতর্ক ও তার উত্তর


(লেখাটি  মাসিক আত-তাহরীকের কমেন্ট বক্সে “আহলেহাদীছ” নামকরণ নিয়ে বিতর্কে এক  ভাইয়ের দেওয়া জওয়াব। গুরুত্ব বিবেচনায় জওয়াবটি এখানে পোষ্ট করা হল)

(Oct 11, 2011) উমার said:

এরা আহলে হাদীস নয়।

এরা হল আহলে বিদআত।

‘আহলে হাদীস’ নামটাই একটা বিদআতী নামকরণ, একই সাথে ফাসাদ বাঁধানোর অপপ্রয়াস।

(Oct 19, 2011) আহমাদ রাইয়ান said:

أعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم

بسم الله الرحمن الرحيم

السلام عليكم و رحمة الله و بركاته …

‘উমার  ভাই, আপনার religion-cultural  background টা জানতে পারলে ভালো  হত. কারণ  আপনি যদি করাচীর মাস’উদ আহমাদ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকেন তাহলে  আমাকে  একভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে হবে. আর যদি এমনি-এমনিই “গা-জ্বালা  syndrome”  এ ভুগে থাকেন,  তাহলে আরেক point of view  থেকে বলতে হবে..তবে  আমার    فراسة   বলছে আপনি প্রথমটি নন,   الله أعلم … শোনেন  ভাই,  আমি   সর্বপ্রথম আমার নিজেকে নাসীহাত করছি অতঃপর আপনাকে বলছি,

  • ক. অপর মুসলিমদের প্রতি এত মন্দ ধারণা  পোষণ করবেননা, pleaze ..

  • খ . আল জার’হ ওয়াত তা’দীল চর্চা করলে (যদিও এটা নিতান্তই পন্ডিতদের  বিষয়)  “কিতাবভিত্তিক” কথা বলবেন pleaze, জেদ, বিদ্বেষ আর ঈর্ষা ভিত্তিক কথা   বলবেননা..

  • গ. কোনো ‘আলিমের কোনো ফুরু’ঈ  ইজতিহাদের সাথে একমত হতে না পারলেই তাকে  বিদ’ঈ বলে বসবেননা, কারণ তাহলে   বড় বিপদে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে, আল্লাহ  মাফ করুন..  রাসূলুল্লাহ  صلى  الله عليه و سلم  বলেন,   البخاري في كتاب الأدب، باب ما ينهى من السباب و  اللعن “কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে পাপাচারী অথবা কাফির হওয়ার অপবাদ   দিলে তা ওই অপবাদদাতা    প্রথম ব্যক্তির উপরেই  ফিরে আসে, যদি যাকে অপবাদ   দেয়া  হয়েছে সে অনুরূপ না হয়ে থাকে”- স’হীহুল বুখারী, ৬০৪৫ -“আদব” অধ্যায়.

  • ঘ. পুরনো পিছুটানের কাছে হার মেনে ওই সব ‘আলিমদের অনুকরণে আমাদেরকে  হিংসা  করবেননা, যারা কিনা ইরানী পথভ্রষ্ট শী’আহদের অনুদান  খেয়ে  ইরানকে  আদর্শ  ইসলামী রাষ্ট্র জ্ঞান করে  খোমেনির বাতিল কুফরিইয়াহ  ফাসিদাহ  আক্বীদাহ ও  ইন’হেরাফের  সমালোচনা করতেও ভয় পান বরং করলে খেপে যান আর ইহুদীর  সন্তান  আব্রাহাম লিনকনের দেয়া  ব্যবস্থা গণতন্ত্রকে আমরা দীন ইসলামের সাথে   সাংঘর্ষিক বলি বলে আমাদের বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়ার আশা রাখেন, যাতে    ভোট না কমে..

আচ্ছা, বলি, ইমাম আহমাদ বিন  হাম্বল র’হিমাহুল্লাহর  কি আপনার সাথে কোনো শত্রুতা ছিল বা আত তাহরীকের  প্রতি তাঁর কোনো prejudice  ছিল, যখন তিনি ৭৩ ফির্ক্বাহর মধ্যে নাজিয়াহ  ফির্ক্বাহ সম্পর্কে বলেছিলেন   إن لم يكونوا أهل الحديث فلا أدري من هم  “যদি তারা আহলেহাদীস না হয় তবে আমি জানিনা তারা কারা”.. দেখুন স’হীহুল   বুখারীর ৭৩১১ নং ‘হাদীসের শার’হ,  বুখারীর জগদ্বিখ্যাত বাখ্যাগ্রন্থ ইবনু   ‘হাজার  আল আসক্বাল্লানীর ফাতহুল বারী ১৩দশ খন্ড, ২৯৩ পৃ.    ইবনু হাম্বল   র. পর্যন্ত একথার সনদের ব্যাপারে ফাত’হুল বারীতে বলা হয়েছে. وأخرج الحاكم  في علوم الحديث بسند صحيح عن أحمد إن لم يكونوا أهل الحديث فلا أدري من هم

অর্থাৎ,  ইমাম ‘হাকিম তাঁর মা’রিফাতু ‘উলূমিল ‘হাদীস গ্রন্থে আ’হমাদ  বিন হাম্বল  থেকে স’হীহ’ সনদে বর্ণনা করেন যে এঁরা ( নাজাতপ্রাপ্ত দল আল  ফিরকাহ আন  নাজিয়াহ) যদি আহলে হাদীস না হয় তাহলে আমি জানিনা তারা কারা.

  • আবার  বোলেননা ওটাত ‘আহলুল হাদীস” , আহলে হাদীস হয়  কিভাবে? শোনেন, আরবী  সম্বন্ধপদে ( إضافة) আহলুলহাদীস আর ফার্সী সম্বন্ধপদে  আহলেহাদীস. আমরা তো  বলি মসজিদে নববী কিন্তু প্রকৃত  إعراب এ তা হবে  “আলমাসজিদুননাবাওয়ী”. তাই  বলে আমরা কি অন্য কোনো মাসজিদ mean করি? বা যেমন  “আলমাসজিদুলআক্ব্সা-” কে  আমরা বলি মসজিদে আক্ব্সা- সে রকমই . ফাতহুল বারীতে অনুরূপ আছে, وأخرج  الترمذي حديث الباب ثم قال سمعت محمد ابن إسماعيل هو البخاري  يقول، سمعت  علي بن المديني يقول هم أصحاب الحديث  অর্থাৎ, আততিরমিযী র.  উপরোক্ত বাবের  হাদীস উল্লেখ করে বলেছেন, আমি মু’হাম্মাদ বিন ইসমা’ঈল তথা   ইমাম বুখারী  র. কে বলতে শুনেছি যে তিনি তাঁর উস্তায ‘আলী ইবনুল মাদীনীকে  বলতে শুনেছেন  যে তারা (মুক্তিপ্রাপ্ত দল) হলো আস’হাবুল ‘হাদীস. ৭৩  ফির্ক্বাহর আলোচনায়  ইমাম আততিরমিযী এ কথা এনেছেন.

  • এখন আবার বলবেননা যেন উনিতো  বলেছেন   আসহাবুলহাদীস..  এটা আর  আহলুলহাদীস কি  এক?  শুনুন, এই context এ  আহল এবং আসহাব একই  অর্থের, মানে প্রতিশব্দ, 100% synonymous. আহল আর  আসহাব এর common  অনেক  অর্থ আছে, যেমন “লোক”, “ওয়ালা” ইত্যাদি. আহল এর  একটি অর্থ “অনুসারী” হয়.   আপনি দেখুন ‘আরবী-বাংলা  মিসবাহুল লুগাত ,  সেখানে দেয়া আছে أهل مذهب -কোনো  মাযহাবের অনুসারী!  ‘আরবী আল মু’জামুল  ওয়াসীত্ব   দেখুন, আসহাব তো বহুবচন,  আসহাবের একবচন সাহিব (صاحب) এর অর্থে  দেয়া আছে  و يطلق على من اعتنق مذهبا أو رأيا فيقال أصحاب أبي حنيفة و  أصحاب الشافعي

  • অনেকেই  অন্তর্জ্বালা আর অহংকারের বশবর্তী  হয়ে বলেন, ” আহলেহাদীস মানে  তো হাদীসের পন্ডিত!..”  শোনেন উমার ভাই, তাই  যদি হয়, তাহলে বিদ্বান ইমামদের  যারাই ৭৩ ফির্ক্বাহর প্রসঙ্গে  “নাজী  ফির্ক্বাহ” বা মুক্তিপ্রাপ্ত দল নিয়ে  আলোচনায় গেছেন, প্রত্যেকেই কেন বললেন  আহলেহাদীস, আস’হাবে ‘হাদীস? একই  অবস্থা আক্বীদাহর   পুস্তকগুলোরও (যেমন  “আক্বীদাতুস সালাফ আস’হাবিল হাদীস”,  আস সাবুনী, মৃত ৪৪৯ হি.).    এর অর্থ  যদি কেবল ‘হাদীসের পন্ডিত-বিদ্বান ই  হয়ে থাকে, তাহলে কি মুক্তিপ্রাপ্ত দলে  থাকার জন্য প্রত্যেককেই ‘ইলমে  ‘হাদীসে পারদর্শী হতে হবে? প্রত্যেককেই কি  ‘হাদীসের মুসতলাহাত, উসূল,  তাখরীজ, রিজাল, তাস’হী’হ-তাদ্ব’ঈফে পারদর্শী  হয়ে এরপর  মুক্তি হাসিল করতে  হবে? আমাদের সাধারণ শিক্ষিতদের কি হবে?  نعوذ  بالله .  আর ‘হাদীসের পন্ডিত  তো বর্তমানে অধিকাংশই হানাফী  দেওবন্দী-আশ’আরী-মাতুরীদী অক্বীদাহর.

  • সৌদীর সাবেক  গ্র্যান্ড মুফতী সামা’হাতুশ শেখ  বিন  বায র’হিমাহুল্লাহ এক প্রশ্নের জবাবে  ফির্ক্বাবাজী আর বিভিন্ন বিদ’আতী  দল  সম্পর্কে সতর্ক করার পর আদর্শ  ইসলামী দলের উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেন,” فإذا وجد جماعة أو مركزاً أو جمعية  تدعو إلى كتاب الله عز وجل وسنة  رسوله صلى الله عليه وسلم تبعها ولزمها ،  كأنصار السنة في مصر والسودان ،  وجمعية أهل الحديث في باكستان والهند “

كتاب مجموع فتاوى ومقالات متنوعة لسماحة الشيخ العلامة عبد العزيز بن عبد الله بن باز رحمه الله . م/٨ -ص /  ١٧٩.

অর্থাৎ,  “যখন কোনো মুসলিম এমন কোনো দল অথবা মারকায অথবা জাম   ‘ঈয়াত(সংস্থা/সমাজ/সমিতি) খুঁজে পাবে যেটি আল্লাহর কিতাব এবং তাঁর রাসূল   (স) এর সুন্নাহর দিকে আহবান করে, যেমন মিসর এবং সুদানে “অনসারুস সুন্নাহ ”   এবং ভারত এবং পাকিস্তানে “জম’ঈয়াতে আহলেহাদীস”, তখন তার উচিত তার অনুগামী   হওয়া এবং তাকে আঁকড়ে ধরা.”

-মাজমূ’ ফাতাওয়া ও মাক্বালাত  মুতানাওওয়ি’আহ  লিসামাহাতিশ শেইখ আল  ‘আল্লামাহ ‘আব্দুল ‘আযীয বিন  ‘আব্দিল্লাহ বিন বায (র) –৮ম খন্ড ১৭৯ পৃ.

দেখুন, ইবনু বায   র’হিমাহুল্লাহ  ভারতবর্ষে কেবল আহলেহাদীছ দের নামই   বললেন. তাহলে ইবনু বায  মুর্খ  বিদ’আতী ছিলেন বটে,না?.. উনার বই সব জ্বালিয়ে  ফেলুন তাহলে!

(এটি www.imambinbaz.orgথেকে download করতে পারেন)

  • তাফসীর  ইবনে  কাসীরে  সূরাহ বানী ইসরাঈলের ৭১ নং  আয়াত [ يوم ندعو كل أناس  بإمامهم  ] “যেদিন আমি প্রত্যেক মানুষকে তার  “ইমাম” ধরে ডাকব” এর তাফসীরে  ইবনু কাসীর র. বলেন,   هذا أكبر شرف لاصحاب  الحديث لأن إمامهم النبي صلى  الله عليه و سلم অর্থাৎ, এটি  আসহাবুলহাদীস  তথা  আহলেহাদীসের সর্বোচ্চ  সম্মান কারণ তাদের ইমাম স্বয়ং নবী (স). উমার  ভাই, এই তাফসীরের সাথে আপনি  একমত নাহয় না হলেন. তারপরেও বলুন, ইবনু কাসীর  র.  একটি গ্রুপ এর নাম নিলেন  কিনা? তিনি নিজে মুর্খ কিনা? তাদের শ্রেষ্ঠ  বললেন কিনা? আর কোন কালেমা  পাঠকারীর ইমামইবা নবী (স) নন, যদি আপনি ফিক্ব্হী  point of view  থেকে   আহলে হাদীস হওয়া অস্বীকার করেন? হয়তো  তাঁর এই  তাফসীরের চেয়ে ভালো তাফসীর  আছে এই আয়াতের,  কিন্তু এই বাক্যটি তিনি কেন  তাফসীরে আনলেন, যদি আহলেহাদীস  বলে কিছু না থাকে?

  •   ليس في الدنيا مبتدع إلا و هو يبغض  أهل الحديث  – অর্থাৎ, “দুনিয়ায় এমন কোনো বিদ’আতী নেই যে আহলেহাদীসদের  প্রতি বিদ্বেষ  রাখেনা” -বলেছেন মু’হাদ্দিস আ’হমাদ বিন সিনান আল ক্বাত্তান  (র.)-ইমাম  ‘হাকিমের মা’রিফাতু  ‘উলুমিল হাদীস পৃ ৪.

  • একটি বই,  مجمل أصول أهل السنة و الجماعة في  العقيدة (আহলুস সুন্নাহ ওয়াল  জামা’আতের অক্বীদাহর মৌলনিতীর সংক্ষিপ্ত  পরিচয়)যা http://www.islamhouse .com  এ  আরবী, বাংলা, ইংলিশ, উর্দু সহ অনেক ভাষায়  দেয়া আছে এমনকি আরবীতে এর অডিও  পঠন  পর্যন্ত  আছে. সেই বইয়ের লেখক বিদ্বান  শেখ ড. নাসির বিন ‘আব্দিল করীম  আল ‘আক্বল এবং বাংলা অনুবাদ  সম্পাদনা  করেছেন  ড. যাকারিয়ার মত বিদ্বান  সাহিবুল ফাদ্বীলাহ. সেখানে তো আছে নাজী  ফির্ক্বাহর নাম আহলে হাদীস! কেন  থাকবেনা, কারণ বইটা তো আর কেউ জেদ করে  লিখেননি, বরং কিতাবভিত্তিক গবেষণা  করে লিখেছেন. download  করে পড়ে দেখুন http://www.islamhouse.com/p/340450   .    আল ‘হারামাইন ইসলামিক ফাউন্ডেশন এই বইটি পৃথিবীর প্রায় যত ভাষায়   মুসলিমরা কথা বলে তত ভাষায় অনুবাদ করে ফ্রী distribute করেছিল. (পৃথিবীর   বিভিন্ন দেশে আল্লাহর পথের মুজাহিদদের  সহযোগিতা করার ও সালাফী ‘আক্বীদাহ   শিক্ষা দেয়ার অপরাধে আমেরিকার চাপে সংস্থাটি আজ নিষিদ্ধ). আহলে হাদীস   নামকরণ বিদ’ঈ হলে কি islamhouse বেদ’আতী মুর্খ website? শুধু তাই নয়,   islamhouse  এর এই লিঙ্ক টি তে যান – http://www.islamhouse.com/p/62931   .  বাংলায় browse  করলে  এখানে পাবেন “সালাফের আক্বীদাহ ও আহলে হাদীস”  নামক  আরবী audio  lecture , এটি হলো ‘ আস সবুনীর একটি বইয়ের পঠন.

  • এখন  আবার বলবেননা যেন উনিতো বলেছেন   আসহাবুলহাদীস.. এটা আর  আহলুলহাদীস কি    এক?  শুনুন, এই context এ আহল এবং আসহাব একই অর্থের, মানে প্রতিশব্দ,  100%  synonymous. আহল আর আসহাব এর common  অনেক অর্থ আছে, যেমন “লোক”,  “ওয়ালা”  ইত্যাদি. আহল এর একটি অর্থ “অনুসারী” হয়.  আপনি দেখুন ‘আরবী-বাংলা    মিসবাহুল লুগাত , সেখানে দেয়া আছে أهل مذهب -কোনো মাযহাবের অনুসারী!    ‘আরবী আল মু’জামুল ওয়াসীত্ব   দেখুন, আসহাব তো বহুবচন, আসহাবের একবচন সাহিব   (صاحب) এর অর্থে দেয়া আছে   و يطلق على من اعتنق مذهبا أو رأيا فيقال  أصحاب أبي حنيفة و أصحاب الشافعي “এ অর্থেও ব্যবহৃত হয়- এমন ব্যক্তি যে  কোনো মাযহাব বা রায় গ্রহণ করলো, যেমন আসহাবু আবী ‘হানীফাতা – আবু হানীফাহর  অনুসারী!”

  • অতএব বোঝা গেল, আসহাবুলহাদীস ও আহলুলহাদীস  একই-অর্থাৎ রাসূল (স) এর  ‘হাদীসের অনুসারী-তা ভাষাগত ভাবে যেমন, তেমনি  ইসলামী আক্বীদাহ ও দা’ওয়াহর  ইতিহাস থেকে এবং পূর্বসুরী ‘উলামাদের বুঝ  থেকেও.. ব্যাপারটা আরো পরিষ্কার  হবে যদি আপনি আবু বকর আল খতীব আল বাগদাদীর  “শারফু আস’হাবিল হাদীস” এবং  “নাসী’হাতু আহলিল ‘হাদীস” পড়েন. তিনি এই শব্দ  দুটিকে অনেকবার   interchangably ব্যবহার করেছেন. (আপনি হয়তো ইনাকে  চেনেননা.  ইনার ব্যাপারে  শেইখ আল আলবানী اقتضاء العلم العمل গ্রন্থের  তা’হ্ক্বীক্বের ভূমিকায় উল্লেখ  করেন,  لم يكن للبغداديين بعد الدار قطني  مثله  অর্থাৎ, বাগদাদে ইমাম দার  কুতনীর পরে এই আল খতীব এর  সমতুল্য কেউ  ছিলনা.)

  • ইমাম ‘হাকেম তাঁর মা’রিফাতু ‘উলুমিল ‘হাদীসে  বলেন,أحسن الإمام أحمد بن حنبل في تفسير هذا الخبر أن الطائفة المنصورة  التي  يُرفع الخذلان عنهم إلى قيام الساعة هم ” أصحاب الحديث ” ، ومَن أحق  بهذا  التأويل من قومٍ سلكوا محجة الصالحين ، واتبعوا آثار السلف من  الماضين ،  ودمغوا أهل البدع والمخالفين بسنن رسول الله صلى الله عليه وعلى  آله أجمعين অর্থাৎ, “আ’হমাদ বিন ‘হাম্বল উত্তম কাজ করেছেন, যখন তিনি এই  খবরের  ব্যাখায় বলেছিলেন যে, সেই সাহায্যপ্রাপ্ত বিজয়ী  দলটি, যারা হক্ব  পরিত্যাগ  করবেনা ক্বিয়ামতের আগ পর্যন্ত, সেই দলটি হলো আস’হাবুল ‘হাদীস.  পরন্তু  এই  বিবরণের অধিক হক্বদার আর কে হতে পারে সেই দলের চেয়ে যারা কিনা  পূর্বের  সালফে সালিহীনদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলেন, এবং বিদ’আতের অনুসারী ও  তাঁদের  বিরোধীপক্ষের লোকদের আঘাত করেন  রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি  ওয়া  সাল্লামের সুন্নাহ দ্বারা..”  পৃ. ২.

  • তাহলে ‘উমার  ভাই, আদর্শিক এবং সনাক্তকারী  নামকরণ তো আ’হমাদ এবং ‘হাকিম  উভয়েই করলেন,  তাঁরা তাহলে বিদ’আতী মুর্খ ছিলেন, তাইনা? তাইতো. শেখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়া  র’হিমাহুল্লাহ সুন্দর বলেছিলেন,و بهذا يتبين أن أحق الناس بان تكون هي  الفرقة الناجية أهل الحديث و  السنة الذين ليس لهم متبوع يتعصبون له إلا  رسول الله صلى الله عليه و سلم

وهم أعلم الناس بأقواله وأحواله  ….وأئمتهم فقهاء فيها وأهل معرفة  بمعانيها واتباعًا لها، تصديقًا وعملا  وحبًا وموالاة لمن والاها، ومعاداة  لمن عادها…. وما تنازع فيه الناس من  مسائل الصفات والقدر والوعيد  والأسماء والأمر بالمعروف والنهي عن المنكر  وغير ذلك يردونه إلى الله  ورسوله، ويفسرون الألفاظ المجملة التي تنازع  فيها أهل التفرق والاختلاف،  فما كان من معانيها موافقًا للكتاب والسنة  أثبتوه، وما كان منها مخالفًا  للكتاب والسنة

— مجموع الفتاوى ٣/ ٣٤٧

অর্থাৎ,  “অতএব প্রতীয়মান হচ্ছে যে মানুষের মধ্যে আল ফিরক্বাহ আন  না-জিয়াহ (নাজাত  প্রাপ্ত দল) হবার সর্বাধিক হক্বদার হলো “আহলুলহাদীস ওয়াস  সুন্নাহ” , যাদের  কোনো অনুসৃত নেতা নেই যার দিকে তারা পক্ষাবলম্বন করে,  একমাত্র আল্লাহর  রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  ব্যতীত..”..”তাঁদের অগ্রগামী  ইমামেরা রাসূলের(স) বাণীসমূহের এবং অবস্থাবলীর  ব্যাপারে ফাক্বীহ, তারা  হাদীসের মর্ম বোঝেন এবং সত্যায়ন, ‘আমল করা , এবং  ভালবাসার মাধ্যমে তার  ইত্তিবা’ করেন… যারা এই নীতি ভালবাসেন, তাঁদেরকে  আহলেহাদীসের পন্ডিতরা  ভালবাসেন. আর যারা এই নীতির সাথে শত্রুতা করেন  তাদেরকে আহলেহাদীসের  পন্ডিতরা শত্রু মনে করেন… আর যেসব বিষয়ে মানুষ বিবাদ  করেছে, যেমন  আল্লাহর মহান গুণাবলী, তাক্বদীর, শাস্তির ভীতি প্রদর্শন,  আল্লাহর নামসমূহ,  সৎ কাজের আদেশ, অসৎ কাজ হতে নিষেধ ইত্যাদি, এসমস্ত  ব্যাপার তারা আল্লাহ  এবং তাঁর রাসূলের দিকে সোপর্দ করেন….” – -ইবনু  তাইমিয়ার মাজমূউল  ফাতাওয়া, ৩য় খন্ড, ৩৪৭পৃ.

  • অনেকেই  অন্তর্জ্বালা আর অহংকারের  বশবর্তী হয়ে  বলেন, ” আহলেহাদীস মানে তো হাদীসের পন্ডিত!..”  শোনেন উমার  ভাই, তাই যদি  হয়, তাহলে বিদ্বান ইমামদের যারাই ৭৩ ফির্ক্বাহর প্রসঙ্গে   “নাজী ফির্ক্বাহ”  বা মুক্তিপ্রাপ্ত দল নিয়ে আলোচনায় গেছেন, প্রত্যেকেই কেন  বললেন আহলেহাদীস,  আস’হাবে ‘হাদীস? একই অবস্থা আক্বীদাহর   পুস্তকগুলোরও  (যেমন “আক্বীদাতুস  সালাফ আস’হাবিল হাদীস”, আস সাবুনী)

  • আরেকটি  বই,  مختصر عقيدة أهل السنة و الجماعة  ,যেটির  মুক্বাদ্দিমাহ(ভুমিকা)  লিখে দিয়েছেন সৌদীর সাবেক গ্র্যান্ড মুফতী ‘আল্লামাহ  বিন বায (র.) আর  সংকলন করেছেন মু’হাম্মাদ বিন ইব্রাহীম আল ‘হাম্মাদ. তিনি  বইয়ের ১০ম  পৃষ্ঠায় লিখেছেন,   لأهل السنة و الجماعة أسماء أخرى يعرفون بها  “আহলুস  সুন্নাহ ওল জামা’আহর আরো কিছু নাম আছে যেগুলো দ্বারা তারা চিন্হিত  হন.”..   এর মধ্যে অন্যতম  নাম তিনি উল্লেখ করেছেন আহলেহাদীস! কেনইবা   করবেননা,  কারণ বইটা তো আর উনি পেটে বিদ্বেষ বা পিছুটান নিয়ে  লিখেননি, বরং   কিতাবভিত্তিক গবেষণা করে লিখেছেন. . আহলেহাদীস বলে যদি কিছু না থাকে তাহলে   বইটা সম্পাদনা  করার কারণে ইবনু বায ও তো বেদ’আতীর দরজাহ লাভ করলেন!

  • islamhouse  site  এ আপনি উর্দুতে اہلحدیث  লিখে  সার্চ দিন.  অনেক মজার মজার বই  পাবেন, যেমন تلاش حق ميں کیسے اورکیوں  اہلحدیث ہوا؟ ইত্যাদি.

  • www.islamqa.comনিশ্চই browse করেন উমার ভাই!  ড. মনজুরে   এলাহী ‘হাফিযাহুল্লাহ  এই  site টি প্রায়ই refer করেন.  ফাদ্বীলাতুশ শেখ সালি’হ আল মুনাজ্জিদ  ‘হাফিযাহুল্লাহ এই site  এর সম্পাদক.   islamqa  website এ ইংলিশ এ এই  ফাতওয়া টি পড়ুন.  http://www.islamqa.com/en/ref/12761আপনি পড়ে দেখবেন যে  সেখানে বলা হচ্ছে The phrase Ahl al-Hadeeth (people of hadeeth) refers  to a group who  venerate the Sunnah and seek to propagate it. They  adhere to the  ‘aqeedah (beliefs) of the companions of the Prophet  (peace and blessings  of Allaah be upon him). In seeking to understand  their religion, they  refer to the Qur’aan and Sunnah and the  interpretation of the best  generations, unlike others who adhere to  beliefs other than the ‘aqeedah  of the righteous salaf and refer to  human reasoning, tastes and what  they see in dreams. This group is the  saved group, the victorious party, which many  imams have stated is the  group referred to in the words of the Prophet  (peace and blessings of  Allaah be upon him): “A group of my ummah will  continue to prevail,  following the truth. They will not be harmed by  those who humiliate  them until the decree of Allaah comes to pass when  they are like that.”  (Narrated by Muslim, 1920). কী বোঝা গেল? তারাতো  বললেন আহলেহাদীস হলো  নাজাতপ্রাপ্ত বিজয়ী দল! আহলে হাদীস বলে কিছু না থাকলে  islamqa আর বিশিষ্ট  দা’ঈ বিদ্বান মুফতী সালেহ আল মুনাজ্জিদ সবই কী মুর্খ?  পুরোটা পড়ে দেখুন,  একথাও পাবেন যে We should note that Ahl al-Hadeeth  includes everyone who  follows the hadeeth of the Prophet (peace and  blessings of Allaah be  upon him) and gives it precedence over all else,  whether he is a  scholar or an ordinary Muslim.

  • Islamqa site এর  আরেকটি ফতওয়া দেখুন এই লিংকে সরাসরি গিয়ে-  http://www.islamqa.com/ar/ref/159436  . এই ফতওয়াটি আরবীতে  আছে. ইংলিশে  এখনো  নেই.  আরবী না বুঝতে পারলে google  translator  এর হেল্প নিয়ে পড়ে  দেখুন আর অবাক হোন. ফাতওয়াটিতে  এক লোক  আপনার মতই একটি প্রশ্ন করলো  আর  উনারা উত্তরে বললেন- নিচে আমরা ভারতবর্ষের আহলেহাদীস জামা’আতের একটি  সংক্ষিপ্ত বিবরণ  দিলাম,  এটি পড়লে আপনি তাদের সমাজকে আঁকড়ে ধরতে উল্টো আরো  আগ্রহী হবেন..”  এরপর তাঁরা ওয়ার্ল্ড এসেম্বলি অফ মুসলিম  ইয়ুথ (ওয়ামী)  থেকে সম্পাদিত    আরবী encyclopedia   “الموسوعة الميسرة في الأديان  والمذاهب والأحزاب  المعاصرة” এর উদ্বৃতি  দিয়ে ভারতের আহলেহাদীসএর  প্রকৃত  বৈশিষ্ট্যাবলী তুলে  ধরলেন এবং এও বললেন,  أهل الحديث” أقدم الحركات  الإسلامية في شبه القارة  الهندية ، قامت على الدعوة لاتباع الكتاب والسنة  وفهمهما على ضوء فهم السلف  الصالح من الصحابة والتابعين ومن تبعهم بإحسان ،  وتقديمهما على كل قول  وهدي سواء كان في العقائد أو العبادات أو المعاملات  أو الأخلاق أو السياسة  والاجتماع ، على طريقة الفقهاء المحدثين ، ومحاربة  الشركيات والبدع  والخرافات بأنواعها -“আহলে ‘হাদীস আন্দোলন ভারতীয়  উপমহাদেশের  সবচেয়ে  পুরাতন  (সংগঠিত) ইসলামী আন্দোলন, য কিনা  কিতাব-সুন্নাহর ইত্তিবা’ ও সালফে  সালেহীন স’হাবাহ-তাবে’ঈদের  বুঝের আলোকে  কিতাব-সুন্নাহ বোঝার দা’ওয়াতের ওপর  প্রতিষ্ঠিত….এই জামা’আহ শিরক বিদ’আত  কুসংস্কার ইত্যাদির বিরুদ্ধে  যুদ্ধরত” কেউ যদি আরবী বোঝেন তাহলে ওয়ামীর ওই   encyclopedia তে দেখবেন, কেবল মাত্র মিসর-সুদানের অন্সারুস সুন্নাহ এবং   ভারতের আহলেহাদীস- এই দুটি দলের ব্যাপারেই তারা বলেছেন যে এদের   আক্বীদাহ-মানহাজ অবিকল  প্রাথমিক ইসলামী যুগের সালফে সালিহীনের   আক্বীদাহ-মানহাজ!

  • অনুরূপ আরেকটি আরবী ফতওয়া দেখুন,  http://www.islamqa.com/ar/ref/163503 . এক নতুন ভারতীয় মুসলিম ভাইয়ের  প্রশ্নের উত্তরে islamqa  তে বলা হলো

قد أنعم الله عليك بنعمة  أخرى جليلة بعد الهداية للإسلام ، وهي  وجودك بين أهل الحديث ، أهل السنة  والجماعة ، فاحرص على ملازمتهم ،  والاقتداء بهم ، والسير على منهاجهم     “আল্লাহ আপনাকে ইসলামের সন্ধান  দেয়ার   পর আরো একটি বড় নি’মত দিয়েছেন, আর  তা হলো আপনার আহলেহাদীসদের মাঝে  থাকা !  অতএব তাদেরকে আঁকড়ে ধরুন, তাদের  অনুসরণ করুন এবং তাদের অনুসৃত পথে  চলুন!”

  • ‘আল্লামাতুল  বান্গলাইন    (দুই বাংলার ‘আল্লামাহ) ‘আব্দুল্লাহেল কাফী  আল ক্বুরায়শী  র’হিমাহুল্লাহ ১৯৪৭ সালের মার্চ মাসে পাবনা জিলা আহলেহাদীস  কনফারেন্স এ  তাঁর ভাষণে বলেন,  “..ইসলাম আহলেহাদীস ত্বরীক্বাহর নামান্তর  ছিল বলিয়া  স্বতন্ত্রভাবে তখন আহলেহাদীস নামে অভিহিত হইবার কোনো প্রয়োজন  উপস্থিত  হয়নাই. কিন্তু উত্তরকালে যখন খারেজী ও শী’আহদের দল প্রতিষ্ঠিত হইল,   ই’তিযাল ও ইরজার ফিতনাহর সঙ্গে সঙ্গে কিতাব ও সুন্নাহর পবিত্র সলিলে রায় ও   ক্বিয়াসের আবর্জনা মিশ্রিত হইতে লাগিল, তখন রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু   ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের ত্বরীক্বাপন্থীগনের জন্য  দুইটি  পথ উন্মুক্ত ছিল:

  1. প্রথম পথ:  খারেজী ও শী’আহরা যেরূপ  পৃথিবীর সকল মুসলিমকে কাফের  বলিয়া  প্রচার করিয়া কেবল নিজদিগের  জন্য মু’মিন ও মুসলিম আখ্যা  একচেটিয়া  করিয়া  লইয়াছিলেন,তদ্রূপ পৃথিবীর বিভিন্ন দলের মুসলিমগনকে  কাফের ঘোষণা  করিয়া  রাসূলুল্লাহ (স) এর ত্বরীক্বাপন্থীগনের শুধু আপন দলের জন্য মুসলিম  নাম  পরিগ্রহণ করা

  2. দ্বিতীয় পথ: খারেজী, রাফেযী, মু’তাযেলী, মুর্জীয়াহ  প্রভৃতি ভ্রান্ত  দলকে মুসলিম রূপে  গন্য করা এবং নিজদিগের  বৈশিষ্ট্যের  পরিচায়ক একটি নাম  আপন দলের জন্য মনোনীত করা.

…স’হাবাহর  দলের সহিত  খারেজী ও রাফেযী দল সমূহের এই স্থানে হইতেছে   মৌলিক  প্রভেদ..খারেজীগন ‘উসমান, ‘আলী এবং যাহারা খারেজী মতবাদ বরণ করেননি   তাহাদিগকে  কাফের বলিয়া থাকে” দেখুন  “আহলে হাদীস পরিচিতি” পৃ. ৮,৯.

  • বলুন ‘উমার ভাই, দ্বিতীয় পথই কি অবলম্বন করা হয়নি? আপনি স’হীহ মুসলিম  শরীফের মুক্বাদ্দিমাহ পড়ে দেখুন.عن بن سيرين قال لم يكونوا يسألون عن  الإسناد فلما وقعت الفتنة قالوا  سموا لنا رجالكم  فينظر إلى أهل السنة  فيؤخذ حديثهم و ينظر إلى أهل البدع  فلا يؤخذ حديثهم তাবে’ঈ  ইবনু সীরীন  র’হিমাহুল্লাহ বলেন, মানুষেরা আগে হাদীসের সনদের  ব্যাপারে জিগ্যেস করতনা.  কিন্তু যখন ফিতনাহ এসে পড়ল,  তখন তাঁরা বলা শুরু  করলেন- তোমাদের  বর্ণনাকারীর নাম বল. এরপর কেবল  “আহলুস সুন্নাহ” ব্যক্তিদের    হাদীস গ্রহণ  করা হত আর “আহলুল বিদা” হলে গ্রহণ করা হতনা”‘-স’হী’হ   মুসলিম,মুক্বাদ্দিমাহ অধ্যায়. তো উমার ভাই, বৈশিষ্ট্য-পরিচায়ক নামকরণ করার   দায়ে স’হাবাহ-তাবে’ঈ, ইবনু সীরীন ও ইমাম মুসলিমকে আহলে বিদ’আত বলবেননা যেন   আবার, pleaze!

  •   সৌদী বিশিষ্ট দা’ঈ  বিদ্বান  মুফতী   সালিহ আল মুনাজ্জিদের তত্বাবধানে পরিচালিত website islamqa এর এই  ফতওয়াতে  যান- http://www.islamqa.com/ar/ref/163503 . সেখানে একটি বাস্তব  সত্য কথা বলা হলো-تمييزاً لها عن غيرها من أهل البدع ، واسم ” المسلم ” لا  شك أنه اسم  جليل وعظيم ، ولكن .. للأسف لقد افترق المسلمون فرقاً شتى ،  فهذا صوفي ،  وهذا شيعي ، وهذا عقلاني …

بل قد انتسب إلى الإسلام من ليس مسلماً ، كالبهائية ، والبريلوية .

فإذا  قال المسلم عن نفسه : إنه من أهل الحديث كان في ذلك تمييز لنفسه  عن هذه  الفرق    ..অর্থাৎ, …এটা হলো বিদ’আতীদের থেকে তাদের  পার্থক্য-প্রভেদের  জন্য.  নিঃসন্দেহে “মুসলিম” নামটিই  সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ  ও মহান, কিন্তু  দুঃখের বিষয় যে মুসলিমগণ বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে আছে, কেউ  সুফী তো, কেউ  শী’আহ, কেউ ‘আক্ব্লানী (বুদ্ধিজীবী, যেমন যুক্তি-বুদ্ধি দিয়ে   ক্বুরআন-‘হাদীস মনমত বাখ্যা করে রাসূল-স’হাবাহর বুঝের বিপরীতে   গিয়েও)..বরঞ্চ ইসলামের প্রতি সম্পর্কিত করা হয়েছে এমন কিছু দলকেও যারা আদতে   মুসলিমই নয়, যেমন বাহ’ই, বেরলভী ইত্যাদী. অতএব যখন মুসলিম নিজের ব্যাপারে   বলবে, আমি আহলেহাদীসের লোক, তখন এর মধ্যে পার্থক্যিকরণ থাকবে তার ও বাকী   বাতিল ফির্ক্বাহ গুলোর মাঝে”

  • মাক্কাহর হারাম শরীফের   সন্মানিত ইমাম ও খত্বীব এবং  মাক্কাহর উম্মুল  ক্বুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের  কুল্লিয়াতুশ শারী’আহ ওয়াদ  দিরাসা-তিল    ইসলামিয়্য়াহর সন্মানিত ডীন  ফাদ্বীলাতুশ শেখ প্রফেসর ড. স’ঊদ বিন ইব্রাহীম  আশ শুরাইম মুম্বাই শহরের  আহলেহাদীস ভাইদের উদ্দেশ্যে  আহলেহাদীসের কী ফযীলত  বয়ান করেছেন    জানতে  দেখুন http://www.youtube.com/watch?v=c4_RiwFf0RUএবং   http://www.youtube.com/watch?v=iN1x5YOLjLg  আমি নিজেই অবাক হয়ে গেছি!  তিনি বললেন,

أهلا و مرحبا  بكم في هذا اللقاء الطيب المبارك  الذي أرى أنه من  الواجبات علي  حينما وطأت قدمي  أرض الهند و مدينة مومباي  ، أن أمر على  أصحابنا و إخواننا و أحبابنا هل الحديث! أهل الحديث هم  الطائفة المنصورة  كما قال أهل العلم عنهم حينما قال النبي صلى الله عليه و  سلم لا تزال طائفة  من أمتي على ألحق ظاهرين لا يضرهم من خذلهم و لا من  خالفهم إلى يوم  القيامة فسئل صلوات الله و سلامه عليه فقال- هم على ما أنا  عليه اليوم و  أصحابي. و بين أهل العلم و منهم البخاري رحمه الله و غيره  أنهم أهل الحديث.  و قال بعض السلف إن لم يكونوا أهل الحديث فمن هم إذن؟  …و كيف لا و هذا  الإنتساب يعود إلى سيد البشر و سيد ولد بن آدم يوم  القيامة صلى الله عليه و  سلم  أيها الإخوة!، نحن في المملكة العربية  السعودية بلاد الحرمين  الشريفين  نحب إخواننا أهل الحديث …..أننا في  المنهج سواء و في العقيدة  سواء …ربما وصف أن أهل الحديث بأنهم متشددون  ..كلهم من حسد لأن هؤلاء  جميعا لم يأتوا بماء لا يأت به الأولون….

শেখ  স’উদ আশ শুরাইম বললেন, “আপনাদের সুস্বাগতম এই মোবারক-মোলাকাতে!  আপনাদের  সাথে এই মোলাকাত করাকে আমি আমার ওপর অবশ্য কর্তব্য(ওয়াজিব) মনে  করি! যে  সময়ে   আমার দুই পা ভারতের মাটিতে এবং মুম্বাই শহরে  পড়ল, তখনই   আমি মনে  করেছি আমাকে দেখা করে যেতে হবে আমার বন্ধু, ভাই এবং মহাব্বাতের  পাত্র  আহলেহাদীসদের সাথে! আহলেহাদীস হলো আত-ত-ইফাতুল মানসূরাহ  (সাহায্য-প্রাপ্ত  দল), যেমনটা পন্ডিতেরা বলে গেছেন. রাসূলুল্লাহ  সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া  সাল্লাম যখন বললেন, “আমার উম্মতের একটি দল সর্বদা  হক্কের ওপর বিজয়ী থাকবে;  তাদেরকে যারা পরিত্যাগ করবে বা  বিরোধিতা করবে  তারা তাদের কোনো ক্ষতি  করতে পারবেনা (অর্থাৎ হক্বের ওপর বিজয়ী থাকা থেকে  বিরত করতে পারবেনা)  ক্বিয়ামত পর্যন্ত” তখন তাঁকে (স:) জিগ্যেস করা হলো  তাদের ব্যাপারে, তিনি  (স) বললেন, তারা ওই জিনিসের ওপরই থাকবে জার ওপর আজ  আমি এবং আমার স’হাবাহ  আছি. অনেক বিদ্বান যাদের মধ্যে আছেন  ইমাম বুখারী  (র.) এবং অন্যরা, বলে  গেছেন যে, তারা  হলো আহলেহাদীস… সালাফদের কেউ  বলেছেন, তারা যদি আহলে  হাদীস না হয় তাহলে আর কারা?…এবং কেন নয়, এই  পরিচয়ের সম্বন্ধিকরণ তো  একেবারে মানবজাতির সর্দার এবং ক্বিয়ামাতের দিন  বনী-আদমের নেতা  সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিকেই ফিরে যাচ্ছে!..  আমরা যারা  ‘হারামাইন শরীফাইন এর দেশ সৌদী ‘আরবে আছি, তারা আমাদের ভাই  ভারতের  আহলেহাদীসদের ভালবাসি, কেননা আমাদের মানহাজ(পথের বুঝ) একই, আক্বীদাহ   একই..””- বললেন  শেখ শুরাইম.

  • একই রকম কথা মাক্কাহর  প্রধান ইমাম ও খত্বীব এবং উম্মুল  ক্বুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের  সম্মানিত  প্রফেসর ও বিশ্বখ্যাত ক্বারী    ফাদ্বীলাতুশ শেখ ড. ‘আব্দুর র’হমান আস  সুদাইস ও বলেছেন. youtube  এ দেখুন   http://www.youtube.com/watch?v=aBKFcNW2S0gএবং  http://www.youtube.com/watch?v=B2_iohd2XIA&feature=relatedএবং  http://www.youtube.com/watch?v=z6CKozX8vWk   . তিনি তো বললেন  ليس هذا  تعصبا و لا تحيزا فكل مسلم ينبغي أن يكون أهل  الحديث -“এটা কোনো অন্ধ  পক্ষাবলম্বন নয় বা কোনো দলীয়তাও নয় বরং প্রত্যেক  মুসলিমেরই  আহলেহাদীস  হওয়া উচিত!” অবশ্য কুটনৈতিক কারণে ‘হারামের ইমামদের, বিশেষ করে শেখ   সুদাইসকে অনেক জায়গাতেই যেতে হয়. কিন্তু অন্য কোথাও গিয়ে তারা কি কখনো বলেন   যে আপনাদের আক্বীদাহ স’হীহ, মানহাজ স’হী’হ, আপনারাই নাজী ফির্ক্বাহ?

  • এই লিঙ্ক এ যান- http://www.haramainrecordings.com/search?q=letters  .  সেখানে পাবেন হারামাইনের ইমাম শুরাইম,সুদাইস, সুবায়তী ও সুবায়য়িল-  ইনাদের  লেখা চিঠি, ইংল্যান্ড জাম’ঈয়াত আহলেহাদীস কে লেখা. প্রত্যেকেই  সেদেশের   আহলেহাদীসদের  প্রসংসা করেছেন. শুরায়মের চিঠিতে দেখুন-و قد سرني حسن  الاستقبال و سلامة المنهج  و الحرص في الالتزام بالحديث منهجا و سلوكا  “আমাকে খুবই আনন্দ দিয়েছিল আপনাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, মানহাজের(ইসলামী   নীতির) বিশুদ্ধতা, এবং পদ্ধতি  এবং চলার পথ- উভয় ক্ষেত্রে ‘হাদীস কড়াকড়ি   অনুসরণ..”

  • এটা আল্লাহর অসীম মেহেরবানী যে আমরা এখন  বিভিন্ন TV channel এর মাধ্যমে  সহজেই দীন সম্পর্কে সঠিক কথা জানতে পারছি .  ‘আমল করার স্পৃহা পাচ্ছি.  (অবশ্য  মাঝে মাঝে  খানকাশরীফ  ফুরফুরার  দাওয়াতও পাচ্ছি) কিন্তু এমন একটা  সময় ছিল যখন TV তে এই সুবিধাগুলো ছিলনা  এবং পরহেযগার মানুষেরা বাড়িতে টিভি  আনতেও চাইতেন না. ইন্টারনেট ও ছিলনা.  সে সময়ে এই  বাংলার মাটিতে হেদায়াত  এবং স’হীহ’ অ’ক্বীদাহ-মানহাজ এর এক-এক  জন আলোকবর্তিকা ছিলেন এই ড. গালিব  এবং অন্যান্য আহলেহাদীছ ‘উলামা.. এখন  থেকে মাত্র পনের বছর আগের কথা চিন্তা  করুন! এই আহলে হাদীস ‘আ‎-লিমরা ছাড়া  কেইবা তখন আমাদের দেশে আল ‘আক্বীদাহ আস  ‘স’হী’হাহর কথা বলতেন? আল্লাহর  ব্যাপারে সঠিক এ’তেক্বা-দী কথা বলতেন বা  ‘আক্বীদাহ রাখতেন বা জানতেন?  রাসূলুল্লা-হ সাল্লাল্লা-হু ‘আলাইহি ওয়া  সাল্লাম এর সুন্নাহর ইত্তিবা’  করতে গিয়ে যে মাযহাবী সিদ্ধান্তের বাইরে  যাওয়া যায় বরং যাওয়া ওয়াজিব, এ  কথা কেইবা তখন বলতেন বা ‘আমল করতেন? বরং এই  কথা আহলে হাদীসরা ছাড়া কেউ    যানন্-নতো-ইনা  …  বরং মহান আল্লাহর ‘আরশে  অবস্থান স্বীকার করতনা ও   আল্লাহর নাম ও গুনাবলীর ব্যাপারে বক্র মাতুরীদী  আক্বীদাহ পোষণ করত আর  স’হীহ তাও’হীদ্বাদী আহলেহাদীসদের গোমরাহ বলত..আর  সলা-তের স’হীহ’ ফিক্বহ এর  কথা? আল’হামদুলিল্লা-হ. সেই অন্ধকার সময়েও  বাংলাদেশে আহলেহাদীছ ‘উলামাদের  মাধ্যমে আল্লাহ ‘হক্ক transmit করেছেন!..

لا يستوي منكم من أنفق من قبل الفتح و قاتل اولائك أعظم درجة من الذين أنفقوا من بعد و قاتلوا و كلا وعد الله الحسنى

“তোমাদের  মধ্যে যারা মাক্কাহ বিজয়ের  পূর্বে দান করেছিল এবং লড়াই   করেছিল তারা এবং  পরবর্তীরা সমান নয়; বরং তারা মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ ওদের চেয়ে  যারা পরবর্তীতে  দান করেছে এবং লড়াই করেছে. তবে আল্লাহ উভয়কেই কল্যানের  প্রতিশ্রুতি  দিয়েছেন..” সূরাহ  আল ‘হাদীদ, ১০.

এক সময় আহলেহাদীস ছাড়া কেউই  সলাত-সিয়াম বা অন্য কোনো ‘আমলের ফিক্ব্হের  বিষয়ে মাযহাবের খেলাফ করে  সুন্নাহর ইত্তিবা’ করতনা. আল্লাহর ‘আরশে অবস্থান  স্বীকার করতনা. আল্লাহর  নাম ও গুনাবলীর ব্যাপারে বক্র মাতুরীদী আক্বীদাহ  পোষণ করত. আমি নিজেও পনের  বছর আগে ছোটদের জন্য সংরক্ষিত কাতারে দাড়িয়ে  মিলাদ পড়তাম, আল্লাহ মা’ফ  করুন! আমি ভাবি, সেই জাহালাতের সময়েও  ড.আসাদুল্লাহ আল গালিব, শেখ  ‘আব্দুল্লাহ বিন ফযল, আবু মুহাম্মদ  ‘আলীমুদ্দীন, আবু তাহের বর্ধমানী,  ‘আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ, আকরামুজ্জামান  বিন ‘আব্দুস সালাম, মনসুরুল হক্ব  আর-রিয়াদী, ‘আব্দুর রব আফফান  প্রমুখাত  আহলেহাদীস ছিলেন সঠিক  তাও’হীদ-সুন্নাহর ধারক-বাহক.

আল’হামদুলিল্লাহ, আমি  আল্লাহর শুকরিয়া জানাই  যে তিনি আমাকে ২০০৭ সাল থেকে আহলেহাদীস সমাজের সাথে  মেশার সৌভাগ্য দান  করেছেন! ১৯৯৫ সালে আল্লাহর ‘আরশে অবস্থান ও নিরাকার না  হওয়ার ব্যাপারে বই  লেখায় আহলেহাদীস মুফতী ‘আব্দুর রউফ সাহেবের ঘরবাড়ি  জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিল..  শেখ আমানুল্লাহ বিন ইসমা’ঈল আল মাদানীকে একবার রশি  দিয়ে বেঁধে যমুনায়  ফেলে দেবার উপক্রম হয়েছিল, আরেকবার এক মহিলা তাঁকে দা  দিয়ে কোপাতে উদ্যত  হয়েছিল. আমি মনে করি সেসব দিনের কথা ভুলে যাওয়া উচিত নয়.

  • শেখুল  ইসলাম ইবনু তাইমিয়া র’হিমাহুল্লাহ সুন্দর বলেছিলেন,و بهذا يتبين أن أحق  الناس بان تكون هي الفرقة الناجية أهل الحديث و  السنة الذين ليس لهم متبوع  يتعصبون له إلا رسول الله صلى الله عليه و سلم

وهم أعلم الناس  بأقواله وأحواله ….وأئمتهم فقهاء فيها وأهل معرفة  بمعانيها واتباعًا  لها، تصديقًا وعملا وحبًا وموالاة لمن والاها، ومعاداة  لمن عادها…. وما  تنازع فيه الناس من مسائل الصفات والقدر والوعيد  والأسماء والأمر بالمعروف  والنهي عن المنكر وغير ذلك يردونه إلى الله  ورسوله، ويفسرون الألفاظ  المجملة التي تنازع فيها أهل التفرق والاختلاف،  فما كان من معانيها  موافقًا للكتاب والسنة أثبتوه، وما كان منها مخالفًا  للكتاب والسنة

— مجموع الفتاوى ٣/ ٣٤٧

অর্থাৎ,  “অতএব প্রতীয়মান হচ্ছে যে মানুষের মধ্যে আল ফিরক্বাহ আন  না-জিয়াহ (নাজাত  প্রাপ্ত দল) হবার সর্বাধিক হক্বদার হলো “আহলুলহাদীস ওয়াস  সুন্নাহ” , যাদের  কোনো অনুসৃত নেতা নেই যার দিকে তারা পক্ষাবলম্বন করে,  একমাত্র আল্লাহর  রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম  ব্যতীত..”..”তাঁদের অগ্রগামী  ইমামেরা রাসূলের(স) বাণীসমূহের এবং অবস্থাবলীর  ব্যাপারে ফাক্বীহ, তারা  হাদীসের মর্ম বোঝেন এবং সত্যায়ন, ‘আমল করা , এবং  ভালবাসার মাধ্যমে তার  ইত্তিবা’ করেন… যারা এই নীতি ভালবাসেন, তাঁদেরকে  আহলেহাদীসের পন্ডিতরা  ভালবাসেন. আর যারা এই নীতির সাথে শত্রুতা করেন  তাদেরকে আহলেহাদীসের  পন্ডিতরা শত্রু মনে করেন… আর যেসব বিষয়ে মানুষ বিবাদ  করেছে, যেমন  আল্লাহর মহান গুণাবলী, তাক্বদীর, শাস্তির ভীতি প্রদর্শন,  আল্লাহর নামসমূহ,  সৎ কাজের আদেশ, অসৎ কাজ হতে নিষেধ ইত্যাদি, এসমস্ত  ব্যাপার তারা আল্লাহ  এবং তাঁর রাসূলের দিকে সোপর্দ করেন….” – -ইবনু  তাইমিয়ার মাজমূউল ফাত

***  “অক্বীদাতুস সালাফ আস’হাবিল হাদীস — গ্রন্থটি রচনা করেছেন ইমাম ইসমা’ঈল  আস সাবুনী মৃ. ৪৪৯ হিজরী . বইটির আরবী reading আছে  http://www.islamhouse.com/p/54654   .  তিনি আস’হাবুল ‘হাদীস তথা   আহলেহাদীসের কিছু আদবের মধ্যে সর্বপ্রথমেই  বললেন, يحرم أصحاب الحديث  المسكر من الأشربة المتخذة من العنب أو  الزبيب  أو  التمر أو العسل أو  الذرة -“সকল প্রকার নেশাসৃষ্টিকারী  পানীয -তা  আঙ্গুর বা কিসমিস, বা খেজুর  বা মুধু বা কোনো ভুট্টা জাতীয়  শস্য- যা থেকেই  বানানো হোক- তা ‘হারাম  ঘোষণা করে …কম-বেশি যাই হোক…হদ্দ”

و يرون المسارعة إلى أداء الصلوات و إقامتها في أوائل الأوقات أفضل من تأخيرها إلى آخر  الأوقات –

“সকল সলাত আওওয়াল ওয়াক্তসমূহে আদায় ও ক্বায়ে�

Advertisements

About সম্পাদক

সম্পাদক - ইসলামের আলো
This entry was posted in ইসলাম. Bookmark the permalink.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s